সাকিব দেশে ফিরে সিরিজটি খেলতে আগ্রহী।
সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলায় নাম জড়ানোর কারণে দেশের মাটিতে খেলা নিয়ে কিছু জটিলতা তৈরি হলেও, বিসিবি এবং সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো বাধা দেখা যাচ্ছে না। বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফীস জানিয়েছেন যে, সরকার এবং আইন উপদেষ্টারা পরিষ্কারভাবে বলেছেন, সাকিবের ক্ষেত্রে কোনো অন্যায় আচরণ বা হেনস্তা হবে না। যদি তাঁর শারীরিক চোট বা নির্বাচনজনিত কোনো সমস্যা না থাকে, তবে সাকিবের জন্য দুই টেস্টের সিরিজে খেলার ক্ষেত্রে কোনো বাধা থাকবে না।
সাকিব
নিজেও দেশে ফিরে সিরিজটি খেলতে আগ্রহী। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে, তবে সরকারের স্পষ্ট অবস্থান এবং বিসিবির সাপোর্ট থাকার কারণে সাকিব আশা করছেন, দেশে ফিরে তিনি খেলায় অংশ নিতে পারবেন এবং তাঁকে কোনো সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে না।
বিসিবির
ক্রিকেট অপারেশন্স ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফীস মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে, তাঁর মতে সাকিব আল হাসানের দক্ষিণ
আফ্রিকার বিপক্ষে আসন্ন দুই টেস্টের হোম সিরিজে খেলার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। শাহরিয়ার নাফীস উল্লেখ করেন যে, সরকারের পক্ষ থেকে সাকিবের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে এবং তাঁকে কোনো ধরনের অন্যায়ভাবে হেনস্তা করা হবে না। নির্বাচনী বা চোটজনিত কোনো
ইস্যু না থাকলে সাকিব
এই সিরিজে অংশ নিতে পারবেন।
শাহরিয়ার নাফীস সাকিব আল হাসানের খেলা নিয়ে পরিষ্কার বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সাকিব আল হাসানের ব্যাপারে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা, মাননীয় আইন উপদেষ্টা এবং মাননীয় ক্রীড়া উপদেষ্টা খুব স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন। বাংলাদেশ সরকার থেকেও পরিষ্কার বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, যেসব মামলা হয়েছে, সেগুলোতে কাউকে অন্যায়ভাবে হেনস্তা করা হবে না। সাকিবের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাদের অবস্থান খুব সুস্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছে। যদি চোটের সমস্যা না থাকে এবং নির্বাচনজনিত কোনো ইস্যু না থাকে, আমি এখন পর্যন্ত সাকিবের হোম সিরিজে না খেলার কোনো কারণ দেখি না।’
এ
বক্তব্যে বোঝা যায় যে, সাকিবের বিরুদ্ধে থাকা মামলার বিষয়গুলো তাঁর ক্রিকেট খেলায় আপাতত কোনো প্রভাব ফেলবে না, এবং তিনি সিরিজে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
সূত্র অনুযায়ী, সাকিব আল হাসান দেশে থাকা মামলা থাকা সত্ত্বেও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজে খেলার জন্য বেশ আগ্রহী। তিনি আশা করছেন যে দেশে ফিরে তাঁকে কোনো ধরনের হেনস্তার শিকার হতে হবে না।
অন্যদিকে, নির্বাচক কমিটি সাকিবকে দলে রাখার সিদ্ধান্তটি শুধু ক্রিকেটীয় দৃষ্টিকোণ থেকেই নেবে। তাঁকে দলে রাখা বা না রাখার ক্ষেত্রে কোনো অন্য বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হবে না।
.jpg)